Enviornment Others 

ভাঙ্গনের কারণ ও তাঁর প্রতিকার খোঁজার জন্য নদীবাঁধ নিয়ে সমীক্ষা

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:ভাঙ্গনের কারণ ও তাঁর প্রতিকার খোঁজার জন্য নদীবাঁধ নিয়ে সমীক্ষা করল মেদিনীপুরের রাজা নরেন্দ্রলাল খান মহিলা মহাবিদ্যালয়।সূত্রের খবর, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজের ভূগোল বিভাগের শিক্ষক ও পড়ুয়াদের করা সমীক্ষায় সামনে এল ভাঙ্গনের বিভিন্ন কারণ।জানা গিয়েছে লালগড় থেকে পাঁশকুড়া পর্যন্ত প্রায় ১০০কিলোমিটার কংসাবতী নদীর বাঁধ সমীক্ষা করেন তাঁরা। সমীক্ষায় জানানো হয়েছে,মূলত দক্ষিণবঙ্গের নদীগুলি থেকে আইন না মেনে বালি তোলার কারণে ভাঙ্গন বৃদ্ধি ঘটছে নদীবাঁধের। ফলে বর্ষাকালে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়ে পড়ছে বিভিন্ন এলাকা।ওই সমীক্ষক দলের প্রধান অধ্যাপক প্রভাত কুমার শিট জানিয়েছেন,নদী-বাঁধ বা পাড় ভাঙন একটি সামাজিক সমস্যা। তাই আমরা ভূগোল বিভাগের ৬৩ জন ছাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ৯ টি দলে ভাগ হয়ে প্রায় ১০০কিলোমিটার বাঁধের উপর সমীক্ষা চালিয়ে বেশকিছু কারণ খতিয়ে দেখেছি।
তাঁর আরও বক্তব্য,ভাঙ্গনের সম্ভাবনা অনুযায়ী নদী উপত্যকাকে ৩ ভাগে ভাগ করেছি আমরা। উচ্চ নদী পাড় ভাঙ্গন এলাকা গুলি হল -ধেড়ুয়া, কংসাবতী ,বড়পলাশী ,ছোটোরানী ডাঙ্গা প্রভৃতি মৌজা। মধ্যম নদীপাড় ভাঙ্গন অঞ্চলগুলি হল -পায়রাগুরি ,আমঝুকি মণিদহ প্রভৃতি। নিম্ন নদীপাড় ভাঙ্গন হল- কনকপুর ,তাবাজারিয়া ,লওয়াদা মৌজা।অন্যদিকে নদী গবেষক সূত্রে জানানো হয়েছে,২০০৭সাল থেকে নদীবাঁধ ভাঙ্গন ও বেআইনি ভাবে বালি তোলা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করে দেখা গিয়েছে,নদী খাত থেকে ইচ্ছেমতো বালি তোলার ফলে নদীর চরিত্র পরিবর্তন হচ্ছে।এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, একটি নির্দিষ্টি জায়গা থেকে যে পরিমাণ বালি তোলা দরকার,তার থেকে অধিক বালি তোলা হচ্ছে। সেই জায়গা পূরণ করার সময় দেওয়া হচ্ছে না।যার ফলে নদীপাড় ভাঙ্গন বাড়ছে।

Related posts

Leave a Comment